1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_5689754aa58b@wordpress-svc.internal : wpsvc_5689754aa58b :
  3. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
  4. admin@dbnews.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন

জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী, গর্ভে থাকা সন্তানকেও হত্যা

আদালত ডেস্কঃ-
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত

এক বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বাদী হয়ে মামলা করেন ওই নারী। মামলায় একজনকেই আসামি করা হয়েছে। আদালতের বিচারক শিরিন নিলা মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহারপূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।  

Pause

অভিযুক্ত আসামি শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সদর উপজেলা যুব জামাতের সভাপতি এবং পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক।  

মামলার এজাহারে ওই নারী বলেন, প্রায় ৭ বছর আগে আমার স্বামী মারা যান। কিছুদিন পরে আমার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাই। সেখানে আমাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শহিদুল আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়েতে রাজি হলে শহিদুলের বোন আমাকে দেখবেন এই কথা বলে পটুয়াখালী শহরে নিয়ে যান। গত ২৪ মার্চ সকাল ৯টার দিকে শেরে বাংলা সড়কে তার বোনের বাসায় গেলে রুমের মধ্যে আটকে আমাকে ধর্ষণ করেন শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি।

অভিযোগে ওই নারী বলেন, শহিদুল আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে চাইলে আমি রাজি হইনি। গত ১৮ মে ডাক্তারি পরীক্ষা করানোর কথা বলে আমাকে ক্লিনিকে নিয়ে যান তিনি। সেখানে ওষুধ খেতে দেওয়া হয়, ওই ওষুধ খেতে না চাইলে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে ওষুধ খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে যাই। একদিন পরে জ্ঞান ফিরলে জানতে পারি ওষুধ খাইয়ে আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দিয়েছেন শহিদুল। আমি এর বিচার চাই।

বাদীপক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। এজাহার গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।  

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু শহিদুলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমার কিছু বলা উচিত নয়। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন ঘটনা সত্যি নাকি মিথ্যা। আদালতে দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত আদালতের আদেশের কপি হাতে পাইনি। আদেশের কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost