1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

খাল পুনঃখনন প্রকল্প-প্রায় কোটি টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

জুবায়ের খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৪১ বার পঠিত

রংপুরের কাউনিয়ায় প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারায় বরাদ্দের অব্যবহৃত ৯৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা (প্রায় কোটি টাকা) সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কাজের সময়সীমা কম থাকা এবং টানা বৃষ্টির কারণে প্রকল্পটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের সিঙ্গামারি দোলায় ৪.৭ কিলোমিটার এবং হারাগাছ ইউনিয়নের ধুম নদী এলাকায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি গ্রহণ করে প্রশাসন। গত ১২ মে রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন।

প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সীমা ছিল গত ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে কাজ শুরুর পর থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং সময় স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত মেয়াদে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ৩০ জুন মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত ধুম নদী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ এবং সিঙ্গামারি দোলা পুনঃখনন প্রকল্পের ৪১ দশমিক ৯১ শতাংশ কাজ শেষ হয়।

পরে সম্পন্ন করা কাজের মজুরি, বৃক্ষরোপণ, পরিবহন ও অন্যান্য যাবতীয় ব্যয় পরিশোধ শেষে অবশিষ্ট অব্যবহৃত ৯৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয় উপজেলা প্রশাসন। পুরো সময়জুড়ে কাজের অগ্রগতি, ব্যয় ও গুণগত মান নিয়মিত তদারকি করেন কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. পাপিয়া সুলতানা।

এদিকে, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হয়ে প্রকল্পটি অসম্পূর্ণ থেকে যাওয়ায় চরম হতাশ ও অসন্তুষ্ট স্থানীয় কৃষকরা। তাদের মতে, বছরের পর বছর ভরাট হয়ে থাকা এই খালের কারণে প্রতি বর্ষায় তাদের এলাকা প্লাবিত হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় তীব্র সেচ সংকট। পুরো খালটি সঠিকভাবে পুনঃখনন করা গেলে সেচ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধান হতো, কৃষি উৎপাদন বাড়ত এবং স্থানীয় পরিবেশগত ভারসাম্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ত।

কাউনিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেজবাহুর রহমান বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। এ অর্থ ব্যয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে আমরা শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ চালানোর চেষ্টা করেছি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সংস্থান অনুযায়ী অব্যবহৃত ৯৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা স্বচ্ছতার স্বার্থে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost