1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

নেত্রকোনায় ভুয়া দলিলে নামজারি করেও উপজেলার শ্রেষ্ঠ উপ- সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোস্তাফিজ

সোহেল খান দুর্জয়, নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ-
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৬ বার পঠিত

নেত্রকোনার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মীর্জা মোস্তাফিজুর রহমান এবার
উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে নির্বাচিত হহয়েছেন যদিও তার বিরুদ্ধে ভুয়া দলিলে জমির নামজারি করার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, ২০২৫ ও ২০২৬ অর্থ বছরের ভাল কাজের স্বীকৃতি হিসাবে উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে মোস্তাফিজুর রহমানকে নির্বাচিত করা হয়েছে। গত (২৭ জুলাই) সোমবার তাকে সম্মাননা দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির হোসেন শামীম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলিন নাহার। কিন্তু শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার মোস্তাফিজ রহমানের বিরুদ্ধে ভূয়া দলিল দিয়ে নামজারি করার অভিযোগ রয়েছে। অনিয়ম দূর্নীতির সাথে জড়িত ব্যাক্তিকে শাস্তি না দিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননা দেওয়ায় সচেতন মহলের মাঝে ক্ষোভ ও নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার পদারকোনা মৌজায় ৭ জন জমির মালিকের ভূয়া দলিল ও সঠিক কাগজপত্র ছাড়াই মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে একটি নামজারি প্রস্তাব করে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মীর্জা মোস্তাফিজুর রহমান। সেই নামজারি ২০২৫ সালের ১৩ই এপ্রিল অনুমোদন করা হয়। যার নামজারির নম্বর ২৫-৬৪৩। ওই নামজারি দিয়ে জমি বিক্রি করে করে দেন মালিকরা। বিক্রি করা জমি গ্রহিতাদের নিকট দলিল করে দেওয়ার জন্য উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও দলিল লেখক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রহিছ মিয়ার যোগসাজশে আরেকটি ভূয়া দলিল তৈরী করা হয়। দলিলটি ২০২৬ সালের ২৫ জুন নিবন্ধনের জন্য সাব-রেজিস্টারের নিকট দাখিল করার পর অসংগতির বিষয়টি সামনে আসে। পরে জাল দলিলসহ সকল প্রকার নথি জব্দ করেন উপজেলা সাব-রেজিস্টার মো.জাহিদ হাসান। ভূয়া দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার চেষ্টার অপরাধে দলিল লেখক রহিছ মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়াসহ অনির্দিষ্টকালের জন্য অফিসের সকল কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেন তিনি।

নিয়ম অনুযায়ী নামজরি প্রস্তুতের আগে সকল ধরনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা । অভিযোগ রয়েছে দায়িত্বরত ভূমি উপ-সহকারী মীর্জা মোস্তাফিজুর রহমান উৎকোচের বিনিময়ে ভূয়া দলিল ও সঠিক কাগজপত্র ছাড়াই নামজারির প্রস্তাব দিয়ে দেন৷ এবং অফিস ম্যানেজ করে সঠিক কাগজপত্র ছাড়াই নামজারি করেন। তার এমন কর্মকাণ্ড সামনে আসলেও শাস্তি না পেয়ে পেয়েছেন পুরষ্কার। এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী স্থানীয় জনসাধারণ।ভূয়া নামজারি বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মীর্জা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমি মাঘান ইউনিয়ন থেকে বদলী হয়ে ফতেপুর ইউনিয়নে কর্মরত আছি। সঠিক কাগজ দিয়েই তখন নামজারি প্রস্তাব করেছিলাম। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলিন নাহার জানান, ‘এ বিষয়ে সাব-রেজিস্টার অফিস থেকে আমাকে লিখিতভাবে কিছু জানানো হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিভাবে মীর্জা মোস্তাফিজুর রহমানকে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কথা না বলার জন্য ইউএনও নিষেধ করেছেন বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীমের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost