1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

নকলায় মুক্তিযোদ্ধার ভাতা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ, আদালতে দ্বিতীয় স্ত্রীর মামলা

আল আমিন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

শেরপুরের নকলায় মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলামের সম্মানী ভাতার অংশ ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিয়েছে। ভাতার অংশ দাবি করে আদালতে সাকসেশন মামলা করেছেন দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচিত মোছা. হামিদা বেগম। তবে তাঁর সঙ্গে সাইফুল ইসলামের বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন প্রথম স্ত্রী মোছা. মাজেদা খাতুন।

আদালতে দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালের ৯ জুলাই সাইফুল ইসলামের সঙ্গে হামিদা বেগমের বিয়ে হয়। তাঁদের ছেলে সোহাগ মিয়ার জন্ম ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি। একই বছরের ১২ এপ্রিল সাইফুল ইসলাম মারা যান বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। হামিদা বেগমের অভিযোগ, স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁকে ও নবজাতক সন্তানকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে ঢাকার পুরান পল্টনে গৃহকর্মীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। তাঁর দাবি, স্বামীর মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতার অর্ধেক তাঁর প্রাপ্য। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার টাকা জমা হলেও প্রথম স্ত্রীর আপত্তিতে পরে আর ভাতার টাকা তুলতে পারেননি।

অন্যদিকে, মুক্তিযোদ্ধার প্রথম স্ত্রীর বড় ছেলে সোহেল রানা বলেন, হামিদা বেগম তাঁর বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সোহাগ মিয়া তাঁদের সৎ ভাই। জমিজমা ভাগের সময় সোহাগের অংশ রাখা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

টালকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর মহিউদ্দিন বুলবুল জানান, তথ্য যাচাই-বাছাই করেই হামিদা বেগম ও তাঁর ছেলের নামে ওয়ারিশ সনদ দেওয়া হয়েছে। নকলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খোরশেদুর রহমান বলেন, সাইফুল ইসলাম তাঁর প্রতিবেশী ছিলেন। হামিদা বেগম তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তাঁদের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। পরিবারটি যেন ন্যায্য অধিকার ফিরে পায়, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost