
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তের কোলঘেঁষে অবস্থান করছে ১’নং বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদ। সততা বিশ্বস্ততা স্বচ্ছতা দায়িত্ববোধ ও নিরপেক্ষতার সাথে দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোঃ নাজমুল হক। একই সঙ্গে তিনি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাজনীতিতে তার সততা ও সঠিক দায়িত্ব পালনের কারণে দল তাকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি’র বড় সম্মানিত পদেও দায়িত্ব দেন। দল যদি আগামীতে তাকে মনোনয়ন দেন সবার দোয়া সহযোগিতায় আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। অপরদিকে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে গ্রামপাড়া মহল্লায়, হাটবাজার, চায়ের দোকানে চলছে তাকে নিয়েই আলাপ আলোচনা। দলীয় ও ইউনিয়নবাসীর মন্তব্য ইউনিয়নের সঠিক নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনিই উপযুক্ত। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় তিনি এখনও পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান।
নাজমুল হক ইউনিয়নের ভীমপুর নিজ ওয়ার্ডে বিএনপির সদস্য পদ লাভের পর বিএনপির রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। দলের প্রতি অগাধ বিশ্বাস সাধারণ নেতাকর্মীর সুখে দুখে পাশে থাকা এবং দায়িত্ববোধের কারণে দল তাকে ওয়ার্ডের সদস্য থেকে সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব দেন ২০০৭ সালে। তিনি জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।বিএনপির রাজনীতি করার অপরাধে কারণে আ’লীগ সরকার তাকে একাধিক মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠিয়েছে তবুও তিনি দলের আদর্শ থেকে সরে যাননি।
২০১১ সালের নির্বাচনে অল্প ভোটে পরাজিত হলেও জনগণের ভালোবাসা থেকে দূরে সরে যাননি তিনি। পরবর্তী ২০১৬ সালে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে অদ্যাবধি সততার সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।
জনসেবা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডচেয়ারম্যান নাজমুল হক শুধু রাজনীতিবিদই নন, তিনি একজন সফল প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীও। গবাদি পশু ও মৎস্য খাদ্যের খুচরা ও পাইকারি ডিলারশিপের মাধ্যমে ব্যবসায় সফলতার কারণে কোম্পানির পক্ষ থেকে একাধিকবার বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ সফরের সুযোগ পেয়েছেন।
একইসাথে তিনি জেলা বীজ সংরক্ষণ এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ইউনিয়নর মসজিদ, মাদ্রাসা, মাজার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি হতদরিদ্র, বিয়ের অনুষ্ঠান ও চিকিৎসা সেবায় নিয়মিত দান করেন। সততা ও বিনয়ী আচরণের কারণে ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত সবার সাথে তার রয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির সমর্থন নিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে বাগজানা ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে নাজমুল হকই বাগজানা ইউনিয়নের যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং আগামীতে তিনিই নেতৃত্বে আসবেন।
Leave a Reply