1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_5689754aa58b@wordpress-svc.internal : wpsvc_5689754aa58b :
  3. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
  4. admin@dbnews.live : admin :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন

সংসার চালাতে হিমশিম, বাধ্য হয়ে চুল বিক্রি করলেন রেহানা

জুবায়ের খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত

মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও হারিয়েছেন তিনি। দুই সন্তানকে নিয়ে এখন তার ঠিকানা হয়েছে খুলনা-মোংলা রেললাইনের পাশের খোলা একটি জায়গা। ঘরের ভাড়া পরিশোধ করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের মাথার চুল বিক্রি করে ঘর ভাঁড়া দিতে হয়েছে তাকে। বলছি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের রেহানা খাতুনের কথা।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রেহানা আগে একটি ভাড়া করা ঝুপড়ি ঘরে দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। দীর্ঘদিন ভাড়া দিতে না পারায় সেই আশ্রয়ও হারাতে হয় তাকে। এরপর সন্তানদের নিয়ে রেললাইনের পাশে সরকারি জমিতে আশ্রয় নেন তিনি।

বর্তমানে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রেলব্রিজের পাশে বাঁশের খুঁটি দিয়ে একটি ঘরের কাঠামো তৈরি করেছেন রেহানা। তবে অর্থের অভাবে ঘরটি এখনো পূর্ণতা পায়নি। কয়েক মাস ধরে শুধু বাঁশের কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। টিন ও বেড়া না থাকায় প্রখর রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুই সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাথা গোঁজার জায়গা না থাকায় রেহানা একসময় পাশের একটি বাড়িতে অস্থায়ীভাবে থাকতেন। একদিন দেখি তার মাথায় চুল নেই। জিজ্ঞেস করলে কান্নাকাটিজরিত কন্ঠে বলেন , ঘরের ৫০০ টাকা ভাড়া পরিশোধ করতে সে তার চুল বিক্রি করেছে।

আরও অনেক স্থানীয় বাসিন্দারা জানালেন, রেহানার জন্য বাঁশের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু টিন ও বেড়ার ব্যবস্থা করতে পারলেই একটি ঘর দাঁড় করানো সম্ভব। এলাকার সচ্ছল মানুষ ও মানবিক ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে তার সন্তানদের নিয়ে অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁই হবে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সন্তোষপুর গ্রামের প্রবেশমুখে রেললাইনের পাশে একটি বাঁশের কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। সেখানেই দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাসের স্বপ্ন দেখছেন রেহানা। কিন্তু টিন ও বেড়ার অভাবে ঘরটি এখনো বসবাসের উপযোগী হয়নি।

রেহানা খাতুন বলেন, দুই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে কষ্ট সহ্য করি। ঘর নেই, খাওয়ারও কষ্ট আছে। নিরুপায় হয়ে চুল বিক্রি করেছি। আমি সরকারের কাছে সাহায্য চাই। সন্তানদের নিয়ে একটু নিরাপদে থাকতে চাই।

এলাকাবাসীদের দাবি, রেহানার মতো অসহায় পরিবারের জন্য সরকারি আবাসন প্রকল্পের আওতায় দ্রুত একটি ঘরের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদেরও তার পাশে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost