1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে ৯টি বিষয়ে একমত বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া

ডিবি নিউজ ডেস্কঃ-
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত

বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও আঞ্চলিক বিষয়ে সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

পাশাপাশি আরসিইপিতে (রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ) যোগদান এবং আসিয়ানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদারে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে মালয়েশিয়া।

আজ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকালে দুই নেতার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এই অঙ্গীকারের কথা জানানো হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মালয়েশিয়ায় এটি তাঁর প্রথম সফরও।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, সফরকালে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি দলিল বিনিময় প্রত্যক্ষ করেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

বাংলাদেশের জন্য এটিকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির প্রত্যাশার বিষয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেও অভিহিত করেন তিনি।

প্রস্তাবিত মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এমবিএফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। দুই দেশ ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

তাঁরা দ্বিমুখী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়ানোর গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।
উভয় নেতা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক সহযোগী বাংলাদেশ। তাঁরা দ্বিমুখী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়ানোর গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।

উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের একটি কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল (জেবিসি) গঠনের অগ্রগতিকেও তাঁরা স্বাগত জানান।

টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, বন্দর ও লজিস্টিকস, হালাল শিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিংসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হন দুই নেতা।

১. বাংলাদেশের আরসিইপি আবেদনে মালয়েশিয়ার সমর্থন

গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্য জোট রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ যোগদানে বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে মালয়েশিয়া।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং এই অঞ্চলে কৌশলগত ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়ে মালয়েশিয়া জানায়, ভবিষ্যতে আরসিইপি-তে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করবে।

বাংলাদেশ এ সমর্থনকে স্বাগত জানিয়ে আরসিইপি সদস্যপদের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

২. আসিয়ানের সঙ্গে সম্পৃক্ততায় সমর্থন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার মর্যাদা অর্জনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার দৃঢ় আকাঙ্ক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার বাংলাদেশের এই আগ্রহকে স্বাগত জানান এবং আসিয়ানের কাঠামোর মধ্যে ঢাকার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে মালয়েশিয়ার গঠনমূলক সমর্থনের আশ্বাস দেন।

দুই নেতার আলোচনায় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে শ্রমিক নেওয়া অব্যাহত রাখার বিষয়টি। মালয়েশিয়ার অর্থনীতি ও উন্নয়নে বাংলাদেশি শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও স্বীকার করেন তাঁরা।

মালয়েশিয়া কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রস্তাবের বিষয়টি উল্লেখ করে জানায়, দেশটির বিদ্যমান নীতির আলোকে নতুন বিদেশি কর্মী কোটার অনুমোদন প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে বিবেচনা করে দেওয়া হবে।

বিদ্যমান শ্রমশক্তি অভিবাসন সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে বর্তমান বাস্তবতা ও প্রয়োজন অনুসারে একটি নতুন, হালনাগাদ কাঠামো তৈরির জন্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (জেডব্লিউজি) গঠনে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

নির্ভরযোগ্য অ্যাজেন্সির মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তাঁরা।

৩. ডিজিটাল অর্থনীতি, এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে সহযোগিতা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল অর্থনীতি, ফিনটেক, সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের মতো অগ্রসরমান প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে সম্মত হয়েছেন দুই নেতা।

তাঁরা সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাকে উৎসাহিত করেন। একই সঙ্গে হাইটেক পার্ক, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো/ ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে মালয়েশিয়ার বৃহত্তর বিনিয়োগকেও স্বাগত জানান।

সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং ও পরীক্ষণ খাতে মালয়েশিয়ার বৈশ্বিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে দুই পক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশল স্নাতকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষজ্ঞ বিনিময় এবং জ্ঞান-আদান-প্রদান কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

৪. হালাল শিল্পে সহযোগিতা

দুই নেতা বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক গুরুত্বের স্বীকৃতি দেন এবং বাংলাদেশের হালাল খাতের উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করতে একমত হন।

তাঁরা মালয়েশিয়ার ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট বিভাগ (জাকিম) ও বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর চলমান সহযোগিতাকে স্বাগত জানান এবং হালাল সনদ প্রদান, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, গবেষণা, উদ্ভাবন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন।

৫. শিক্ষা, পর্যটন ও দক্ষতা উন্নয়ন

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে অধ্যয়নরত প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর বিষয়টি উল্লেখ করেন দুই প্রধানমন্ত্রী। তাঁরা উচ্চশিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশীদারিত্ব, যৌথ গবেষণা উদ্যোগ এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একমত হন।

যোগ্যতার/সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতি, যৌথ ডিগ্রি কর্মসূচি এবং শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সামঞ্জস্য আরো জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

‘ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬’ ও ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম ২০২৬’ কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে পর্যটন সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দুই নেতা। একই সঙ্গে পর্যটন প্রচার ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হন।

৬. জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে উৎসাহ

জ্বালানি সহযোগিতাও আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল। উভয় পক্ষ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ, এলএনজি অবকাঠামো এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য বিষয়ক বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে।

মালয়েশিয়ার কোম্পানিগুলোকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, কয়লা ও চুনাপাথরসহ অনাবিষ্কৃত খনিজ সম্পদ উত্তোলন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ।

জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই ব্যবস্থাপনা জোরদারে জাতীয় জ্বালানি কোম্পানি ও বেসরকারি খাতের অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়েও উৎসাহ দেয় দুই দেশ।

৭. প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার

দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরক্ষা সম্পর্কের প্রশংসা করে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সমঝোতা স্মারক পুরোপুরি কার্যকর করার অঙ্গীকার করেন দুই নেতা।

সামরিক বিজ্ঞান, কারিগরি দক্ষতা ও প্রতিরক্ষা শিল্প অংশীদারিত্বে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একমত হন তাঁরা। ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য একটি কাঠামোগত রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক যৌথ কমিটি (জেসিডিসি) বৈঠক আয়োজনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তাঁরা।

উভয়পক্ষ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যৌথ প্রশিক্ষণ, কৌশলগত মহড়া ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ, সহিংস উগ্রবাদ, মানবপাচার ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় সহযোগিতা জোরদারের কথাও জানান তাঁরা।

৮. রোহিঙ্গা ইস্যুতে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন দুই নেতা।

মালয়েশিয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে এবং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করে।

নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের প্রতি সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করে কুয়ালালামপুর।

অন্যদিকে আসিয়ান, ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং জাতিসংঘসহ দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মালয়েশিয়ার ধারাবাহিক সমর্থনের প্রশংসা করে বাংলাদেশ।

৯. বৈশ্বিক ইস্যুতে অভিন্ন অবস্থান

দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন। তারা সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তাঁরা।

জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, মানবপাচার, আন্তঃদেশীয় অপরাধ এবং অন্যান্য প্রচলিত ও অপ্রচলিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপের প্রয়োজনের ওপরও জোর দেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে আরো ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অঙ্গীকার করে দুই দেশ। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

সফরকালে তিনি ও তাঁর প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সূত্রঃ- বাসস

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost