1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

‘আমাদের সম্পর্ক যেন তৃতীয় ব্যক্তি না জানে’ নারী সহকর্মীকে জেল সুপার,ফোনালাপ ভাইরাল

ডিবি নিউজ ডেস্কঃ-
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ২৬ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে আপত্তিকর কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় জেল সুপার মো. দিদারুল আলমকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলি (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন সই করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলমকে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি দিয়ে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কারা প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টার মধ্যেই তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে কর্মমুক্ত হতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রজ্ঞাপনে তার বদলির বিষয়টি প্রশাসনিক শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে কার্যকর করার কথা উল্লেখ করা হয়।

এদিকে চট্টগ্রাম কারাগারের হসপিটালাইজড প্রিজনার্স সিকিউরিটি ইউনিটের কারা তত্ত্বাবধায়ক আনোয়ারুল করিমকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-১ এর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম এবং একই কারাগারের এক নারী কারারক্ষীর একটি ফোনালাপের অডিও রেকর্ড ভাইরাল হয়। ওই কথোপকথনে জেল সুপার ওই নারী কারারক্ষীকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ ও অনৈতিক ইঙ্গিত দেন বলে অভিযোগ ওঠে।

জেল সুপার ওই নারী কারারক্ষী এবং ‘আর’ আদ্যক্ষরের অন্য এক নারী কর্মীকে আগামী সপ্তাহে একটি রেস্তোরাঁয় যাওয়ার প্রস্তাব দেন। কৌশলে বিষয়টি আড়াল করতে তিনি তাদের আগে যেতে বলেন এবং নিজে পরে যাওয়ার কথা জানান।

আলাপকালে জেল সুপার নারী কারারক্ষীর থাকার রুম, ব্যারাকে টিভি ও ওয়াইফাই সুবিধা এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে নানা ব্যক্তিগত ও অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করেন।

নারী কারারক্ষী বাইরের খাবার বা হোটেলের খাবার অপছন্দ করেন জানিয়ে বারবার প্রস্তাব এড়ানোর চেষ্টা করলে জেল সুপার ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘সাপ খাও কি না’ বা ‘হোটেলে ভাত-মিষ্টি খাইবা’ মন্তব্য করে তাকে রাজি করানোর চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘তাইলে এমনিই যাবা, আমাকে খাওয়াবা।’

কথোপকথনের শেষ অংশে জেল সুপার বিষয়টিকে সম্পূর্ণ গোপন রাখার জন্য ওই নারী কারারক্ষীকে কড়া নির্দেশ দেন। অন্য কেউ তাদের এই আলাপের বিষয়ে জানে কি না তা নিশ্চিত হয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজেদের বিষয়গুলো যেন তৃতীয় ব্যক্তি না জানে, তাইলে ওরা নেগেটিভে নিয়ে যাবে।’ একই সঙ্গে কারা বিভাগে (কারা ডিপার্টমেন্ট) এই ধরনের আলোচনা বেশি ছড়ায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পুরো কথোপকথনে নারী কারারক্ষী অত্যন্ত সংকুচিত ও অনিচ্ছুকভাবে কেবল ‘জি স্যার’ বলে উত্তর দিয়ে বারবার প্রস্তাবগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও জেল সুপারকে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে দেখা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost