1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

নেত্রকোনায় ৯ বছর আগে জমি কিনে দলিল পাননি, সাবেক এমপির বাড়িতে অবস্থান

সোহেল খান দুর্জশ, নেত্রকোনাঃ-
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

নেত্রকোনাট কলমাকান্দায় প্রায় নয় বছর আগে জমি কিনেও রেজিস্ট্রি দলিল বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে। জমির দলিল বুঝে পাওয়ার দাবিতে তাঁর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না হওয়ায় তাঁরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে সাবেক সংসদ সদস্যের দাবি, জমি ক্রেতাদের দখলে রয়েছে। শুধু রেজিস্ট্রি করে দেওয়া বাকি। ভাতিজার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি তাঁর।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানীর বাড়িতে অবস্থান নেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় তাঁদের হাতে থাকা ব্যানারে বিক্রি করা জমির দলিল না দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিকারের দাবি জানানো হয়। ব্যানারে ভুক্তভোগী হিসেবে মোছা. জহুরা খাতুন ও বর্ষা আক্তারের নাম উল্লেখ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় নয় বছর আগে তাঁরা জমি কেনেন। জমি কেনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো রেজিস্ট্রি দলিল বুঝে পাননি তাঁরা। ফলে জমি কেনার পরও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় তাঁরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে দলিল বুঝে পাওয়ার দাবি নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্যের বাড়িতে অবস্থান নেন তাঁরা। জমি কেনার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে প্রায় নয় বছর ধরে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না হওয়ার অভিযোগ ওঠায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, জমি কেনার পর দলিল বুঝে পাওয়ার বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। এ কারণে তাঁরা সাবেক সংসদ সদস্যের বাড়িতে গিয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন। অভিযোগের বিষয়ে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী বলেন, জমি ভুক্তভোগীদের দখলে রয়েছে। শুধু রেজিস্ট্রি করে দেওয়া বাকি। ভাতিজার সঙ্গে পারিবারিক সমস্যার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

গোলাম রব্বানী বলেন, ‘জমিটা প্রথমে আমি বিক্রি করেছি। তবে বাটোয়ারা অনুযায়ী এই জমির মালিক আমার ভাতিজা। এদিকে আমি আমার জমি ভাতিজাকে দেওয়ার পরও আমার জমি দিচ্ছে না। যার ফলে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।’ সাবেক সংসদ সদস্যের বক্তব্য অনুযায়ী, জমি বিক্রির পর রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না হওয়ার পেছনে তাঁর ভাতিজার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। তাঁর দাবি, জমি ক্রেতাদের দখলে থাকলেও রেজিস্ট্রির বিষয়টি এখনো বাকি রয়েছে। ফলে জমি বিক্রি, পারিবারিক বাটোয়ারা এবং রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না হওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এদিকে, জমি কেনার প্রায় নয় বছর পরও দলিল বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগীরা সাবেক সংসদ সদস্যের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা জমির রেজিস্ট্রি দলিল বুঝে পাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের বিস্তারিত বক্তব্য, জমির পরিমাণ ও মূল্য এবং জমির বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের বিষয়ে সাবেক সংসদ সদস্যের ভাতিজার বক্তব্য জানা যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর