1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

আগে বললেন “দ্বিতীয় স্ত্রী”, এখন দাবি ‘জিম্মি’ হয়েছিলেন

ডিবি নিউজ ডেস্কঃ-
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একপক্ষ দাবি করেন, এটি কৃত্রিম বৃদ্ধিমতা দিয়ে বানানো হয়েছে।

তবে রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, ভিডিও ভুয়া নয় আসল। পরে জেলা জামায়াত থেকে দাবি করা হয়, ওই নারী এমপি নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। নজরুল ইসলাম নিজেরও ওই নারীকে তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, রাজধানীর মগবাজারে একটি অফিসে তাকে ‘জিম্মি’ করে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়।

পরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের ‘ব্যক্তিগত’ ও ‘ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত’র ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম লিখেন, ‘গত ১৩ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখে আমার প্রথমা ও দ্বিতীয় স্ত্রী, যথাক্রমে মোছা. মাকছুদা বেগম ও মোছা. মরিয়াম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি। আমরা উক্ত অফিসে অবস্থানকালে যোহরের নামাজ আদায়ের পূর্বে আমার গাড়িচালক ও আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়।

পরবর্তীতে সে ৫/৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে আমাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং আমাদের জিম্মি করে ১ লক্ষ টাকা আদায় করে। আমি চলাচলের জন্য যে ভাড়াকৃত গাড়িটি ব্যবহার করি, ওবায়দুল্লাহর যোগসাজশে পরবর্তীতে সেটিও আটকে রেখে দফায় দফায় আমাদের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। আমরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। আমি এসময় জানতে পারি, আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এই ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’

তিনি আরো লিখেন, ‘পরবর্তীতে, হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে, গত ১৭ জুন, ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে এবং আমার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তার পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর বাসভবনে আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কোনো সত্যতা নেই।

যারা আমাদের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এদিকে গাজী নজরুল ইসলাম এ ঘটনার পর কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেননি তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া তার পোস্টে দিদারুল ইসলাম নিটন নামের একজন মন্তব্য লিখেছেন, ‘এআই বলে চালিয়ে দেওয়াতে সফল না হয়ে এখন দ্বিতীয় বড় গল্প নিয়ে এসেছে! এদের চরিত্র চমৎকার।’

বাবু আমদাদ নামে একজন লিখেছেন, ‘এমপি সাহেব আপনি টেনশন করিয়েন না, পুরুষ সবসময় মজলুম, কোনরকম যদি কিন্তু ছাড়া আমি আপনার পক্ষে আছি। আর আরেকটা কথা আপনার চয়েস কিন্তু বেশ ভালো।’

আবু বকর সিদ্দিক নামের একজন লিখেন, ‘দাদু, সব কিছু ম্যানেজ করতে লেইট করে ফেলছেন। আর লেইট হওয়ারই কথা- প্রথমে স্ত্রী, দ্বিতীয়ত লুচ্চি, তৃতীয়ত লুচ্চির আব্বা। সব কিছুর পর দুইটা ফ্যামিলি ম্যানেজ করা তো আর এত সহজ নয়! শুভকামনা রইল চাচা।’

জাহিদুর রহমান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনি এই বুড়া বয়সে ১৮ বছরের আপনার নাতির বয়সী মেয়েকে কিভাবে বিয়ে করেন? জনগণকে ভুগোল না বুঝিয়ে সরাসরি সংবাদ সম্মেলন করে সত্য উপস্থাপন করুন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost