1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একটি গরু সহ প্রাণ গেল গরুর পাইকার মুজিবরের

তপু রায়হান রাব্বি, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত

ময়মনসিংহের ফুলপুরে (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মুজিবর রহমান নামের এক ব্যক্তি।

নিহত গরুর পাইকার মোঃ মুজিবর রহমান(৫০) ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের বড় চিলাগাই গ্রামের আব্দুল হাই এর ছেলে।

জানা গেছে, ময়মনসিংহ টু শেরপুর মহাসড়কের ফুলপুরের শেরপুর রোডের সাহাপুর বাজারে গরুবোঝাই ভটভটি দুর্ঘটনায় একটি গরু ঘটনা স্থলেই মারা যায়। এতে মুজিবর রহমান গুরুতর আহত সহ ৩জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মুজিবর রহমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। অপর ২জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা রয়েছে।
আরো জানা যায়, নিহত মজিবর রহমান একজন গরুর পাইকার। ফুলপুর পৌরসভার আমুয়াকান্দা ঐতিহ্যবাহী গরুর হাট থেকে গরু কিনে নিয়ে যাবার সময় ভটভটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, লাশ হাসপাতাল থেকে থানায় আনা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ সোহেল খান দূর্জয়-নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে পড়েছে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ। বর্ষা মৌসুম জুড়েই নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ডিঙ্গাপোতা হাওরে চলছে অবাধে শামুক শিকার। জীবিকার তাগিদে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ রাত জেগে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জাল ব্যবহার করে হাওরের তলদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ শামুক সংগ্রহ করছেন। সূর্য ওঠার আগেই সেই শামুক হাওরের কূলে এনে স্তূপ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বস্তাবন্দি করে বিক্রি করে দেওয়া হয় বিভিন্ন হাঁসের খামারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শামুক কুড়ানো এখন ওই অঞ্চলের অনেক মানুষের আয়ের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। খামারিরা দানাদার খাবারের খরচ কমাতে তুলনামূলক কম দামে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে হাঁসকে শামুক খাওয়াচ্ছেন। ফলে দিন দিন হাওরের বাজারে এর চাহিদা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের অস্থায়ী বাজারে বসে শামুকের জমজমাট বিকিকিনি। পাইকাররা এখান থেকে পাইকারি দরে শামুক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাঁসের খামারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মণ শামুক তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীরা। তাদের মতে, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শামুক নিধন চলতে থাকলে হাওরের স্বাভাবিক জীববৈচিত্র্য চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির নেত্রকোণা জেলা সভাপতি নাজমুল কবির সরকার এ বিষয়ে জানান, শামুক হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে প্রাকৃতিক ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। এভাবে প্রতিনিয়ত আহরণ অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই এই এলাকা থেকে শামুক বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা পুরো হাওর অঞ্চলের প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, শামুক কেবল হাঁসের খাদ্য নয়, এটি জলাভূমির পুরো খাদ্যশৃঙ্খলের (Food Chain) অন্যতম মূল ভিত্তি। দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ, পানকৌড়ি, বকসহ বিভিন্ন জলচর পাখির অন্যতম প্রধান খাবার এই শামুক। তাছাড়া পানির গুণগত মান ভালো রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।অনিয়ন্ত্রিতভাবে শামুক ধ্বংস করা হলে জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণিকুলও খাদ্যসংকটে পড়বে। এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জলজ প্রতিবেশের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে আহরণ করা হলে তা পুরো পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ডিঙ্গাপোতা হাওরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দ্রুতই একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জলবায়ু ও পরিবেশের ক্ষতি না করে কীভাবে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের জীবিকার তাগিদকে গুরুত্ব দিয়ে অবিলম্বে হাওরে শামুক আহরণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সরকারের কঠোর নজরদারি কার্যকর করার জোর দাবি তুলেছেন তারা। ৩১/১০/২০২৬ ইং

নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ সোহেল খান দূর্জয়-নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে পড়েছে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ। বর্ষা মৌসুম জুড়েই নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ডিঙ্গাপোতা হাওরে চলছে অবাধে শামুক শিকার। জীবিকার তাগিদে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ রাত জেগে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জাল ব্যবহার করে হাওরের তলদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ শামুক সংগ্রহ করছেন। সূর্য ওঠার আগেই সেই শামুক হাওরের কূলে এনে স্তূপ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বস্তাবন্দি করে বিক্রি করে দেওয়া হয় বিভিন্ন হাঁসের খামারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শামুক কুড়ানো এখন ওই অঞ্চলের অনেক মানুষের আয়ের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। খামারিরা দানাদার খাবারের খরচ কমাতে তুলনামূলক কম দামে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে হাঁসকে শামুক খাওয়াচ্ছেন। ফলে দিন দিন হাওরের বাজারে এর চাহিদা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের অস্থায়ী বাজারে বসে শামুকের জমজমাট বিকিকিনি। পাইকাররা এখান থেকে পাইকারি দরে শামুক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাঁসের খামারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মণ শামুক তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীরা। তাদের মতে, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শামুক নিধন চলতে থাকলে হাওরের স্বাভাবিক জীববৈচিত্র্য চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির নেত্রকোণা জেলা সভাপতি নাজমুল কবির সরকার এ বিষয়ে জানান, শামুক হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে প্রাকৃতিক ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। এভাবে প্রতিনিয়ত আহরণ অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই এই এলাকা থেকে শামুক বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা পুরো হাওর অঞ্চলের প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, শামুক কেবল হাঁসের খাদ্য নয়, এটি জলাভূমির পুরো খাদ্যশৃঙ্খলের (Food Chain) অন্যতম মূল ভিত্তি। দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ, পানকৌড়ি, বকসহ বিভিন্ন জলচর পাখির অন্যতম প্রধান খাবার এই শামুক। তাছাড়া পানির গুণগত মান ভালো রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।অনিয়ন্ত্রিতভাবে শামুক ধ্বংস করা হলে জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণিকুলও খাদ্যসংকটে পড়বে। এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জলজ প্রতিবেশের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে আহরণ করা হলে তা পুরো পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ডিঙ্গাপোতা হাওরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দ্রুতই একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জলবায়ু ও পরিবেশের ক্ষতি না করে কীভাবে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের জীবিকার তাগিদকে গুরুত্ব দিয়ে অবিলম্বে হাওরে শামুক আহরণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সরকারের কঠোর নজরদারি কার্যকর করার জোর দাবি তুলেছেন তারা। ৩১/১০/২০২৬ ইং
নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ সোহেল খান দূর্জয়-নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে পড়েছে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ। বর্ষা মৌসুম জুড়েই নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ডিঙ্গাপোতা হাওরে চলছে অবাধে শামুক শিকার। জীবিকার তাগিদে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ রাত জেগে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জাল ব্যবহার করে হাওরের তলদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ শামুক সংগ্রহ করছেন। সূর্য ওঠার আগেই সেই শামুক হাওরের কূলে এনে স্তূপ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বস্তাবন্দি করে বিক্রি করে দেওয়া হয় বিভিন্ন হাঁসের খামারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শামুক কুড়ানো এখন ওই অঞ্চলের অনেক মানুষের আয়ের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। খামারিরা দানাদার খাবারের খরচ কমাতে তুলনামূলক কম দামে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে হাঁসকে শামুক খাওয়াচ্ছেন। ফলে দিন দিন হাওরের বাজারে এর চাহিদা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের অস্থায়ী বাজারে বসে শামুকের জমজমাট বিকিকিনি। পাইকাররা এখান থেকে পাইকারি দরে শামুক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাঁসের খামারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মণ শামুক তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীরা। তাদের মতে, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শামুক নিধন চলতে থাকলে হাওরের স্বাভাবিক জীববৈচিত্র্য চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির নেত্রকোণা জেলা সভাপতি নাজমুল কবির সরকার এ বিষয়ে জানান, শামুক হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে প্রাকৃতিক ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। এভাবে প্রতিনিয়ত আহরণ অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই এই এলাকা থেকে শামুক বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা পুরো হাওর অঞ্চলের প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, শামুক কেবল হাঁসের খাদ্য নয়, এটি জলাভূমির পুরো খাদ্যশৃঙ্খলের (Food Chain) অন্যতম মূল ভিত্তি। দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ, পানকৌড়ি, বকসহ বিভিন্ন জলচর পাখির অন্যতম প্রধান খাবার এই শামুক। তাছাড়া পানির গুণগত মান ভালো রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।অনিয়ন্ত্রিতভাবে শামুক ধ্বংস করা হলে জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণিকুলও খাদ্যসংকটে পড়বে। এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জলজ প্রতিবেশের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে আহরণ করা হলে তা পুরো পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ডিঙ্গাপোতা হাওরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দ্রুতই একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জলবায়ু ও পরিবেশের ক্ষতি না করে কীভাবে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের জীবিকার তাগিদকে গুরুত্ব দিয়ে অবিলম্বে হাওরে শামুক আহরণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সরকারের কঠোর নজরদারি কার্যকর করার জোর দাবি তুলেছেন তারা। ৩১/১০/২০২৬ ইং
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost