1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

নকলায় আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয়ে দারুল আরকাম মাদ্রাসার উদ্বোধন

আল আমিন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৭৫ বার পঠিত

শেরপুরের নকলায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি ও আরবি ভাষায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দারুল আরকাম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) পৌর শহরের পশ্চিম বাজার এলাকায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আলহাজ্ব মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আলহাজ্ব ওসমান গনি, ভাইস প্রিন্সিপাল মুফতি মাহাদি হাসান মুস্তাকিম, জামিয়া আরাবিয়া মাসতুরা আশরাফিয়া কওমি মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল জলিল, উপজেলা পরিষদ মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি আব্দুল জলিল কাসেমী, নকলা দারুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আনসারুল্লাহ তারা এবং হাবিবে জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ হাফিজুল ইসলামসহ স্থানীয় আলেম-ওলামা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দারুল আরকাম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আদর্শ প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি আলহাজ্ব মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নকলায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি ও আরবি ভাষাভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে একটি মানসম্মত ও আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যশিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শ চরিত্রে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি আন্তরিকভাবে কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ সোহেল খান দূর্জয়-নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে পড়েছে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ। বর্ষা মৌসুম জুড়েই নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ডিঙ্গাপোতা হাওরে চলছে অবাধে শামুক শিকার। জীবিকার তাগিদে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ রাত জেগে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জাল ব্যবহার করে হাওরের তলদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ শামুক সংগ্রহ করছেন। সূর্য ওঠার আগেই সেই শামুক হাওরের কূলে এনে স্তূপ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বস্তাবন্দি করে বিক্রি করে দেওয়া হয় বিভিন্ন হাঁসের খামারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শামুক কুড়ানো এখন ওই অঞ্চলের অনেক মানুষের আয়ের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। খামারিরা দানাদার খাবারের খরচ কমাতে তুলনামূলক কম দামে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে হাঁসকে শামুক খাওয়াচ্ছেন। ফলে দিন দিন হাওরের বাজারে এর চাহিদা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের অস্থায়ী বাজারে বসে শামুকের জমজমাট বিকিকিনি। পাইকাররা এখান থেকে পাইকারি দরে শামুক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাঁসের খামারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মণ শামুক তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীরা। তাদের মতে, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শামুক নিধন চলতে থাকলে হাওরের স্বাভাবিক জীববৈচিত্র্য চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির নেত্রকোণা জেলা সভাপতি নাজমুল কবির সরকার এ বিষয়ে জানান, শামুক হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে প্রাকৃতিক ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। এভাবে প্রতিনিয়ত আহরণ অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই এই এলাকা থেকে শামুক বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা পুরো হাওর অঞ্চলের প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, শামুক কেবল হাঁসের খাদ্য নয়, এটি জলাভূমির পুরো খাদ্যশৃঙ্খলের (Food Chain) অন্যতম মূল ভিত্তি। দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ, পানকৌড়ি, বকসহ বিভিন্ন জলচর পাখির অন্যতম প্রধান খাবার এই শামুক। তাছাড়া পানির গুণগত মান ভালো রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।অনিয়ন্ত্রিতভাবে শামুক ধ্বংস করা হলে জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণিকুলও খাদ্যসংকটে পড়বে। এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জলজ প্রতিবেশের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে আহরণ করা হলে তা পুরো পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ডিঙ্গাপোতা হাওরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দ্রুতই একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জলবায়ু ও পরিবেশের ক্ষতি না করে কীভাবে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের জীবিকার তাগিদকে গুরুত্ব দিয়ে অবিলম্বে হাওরে শামুক আহরণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সরকারের কঠোর নজরদারি কার্যকর করার জোর দাবি তুলেছেন তারা। ৩১/১০/২০২৬ ইং

নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ সোহেল খান দূর্জয়-নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে পড়েছে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ। বর্ষা মৌসুম জুড়েই নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ডিঙ্গাপোতা হাওরে চলছে অবাধে শামুক শিকার। জীবিকার তাগিদে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ রাত জেগে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জাল ব্যবহার করে হাওরের তলদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ শামুক সংগ্রহ করছেন। সূর্য ওঠার আগেই সেই শামুক হাওরের কূলে এনে স্তূপ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বস্তাবন্দি করে বিক্রি করে দেওয়া হয় বিভিন্ন হাঁসের খামারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শামুক কুড়ানো এখন ওই অঞ্চলের অনেক মানুষের আয়ের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। খামারিরা দানাদার খাবারের খরচ কমাতে তুলনামূলক কম দামে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে হাঁসকে শামুক খাওয়াচ্ছেন। ফলে দিন দিন হাওরের বাজারে এর চাহিদা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের অস্থায়ী বাজারে বসে শামুকের জমজমাট বিকিকিনি। পাইকাররা এখান থেকে পাইকারি দরে শামুক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাঁসের খামারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মণ শামুক তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীরা। তাদের মতে, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শামুক নিধন চলতে থাকলে হাওরের স্বাভাবিক জীববৈচিত্র্য চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির নেত্রকোণা জেলা সভাপতি নাজমুল কবির সরকার এ বিষয়ে জানান, শামুক হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে প্রাকৃতিক ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। এভাবে প্রতিনিয়ত আহরণ অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই এই এলাকা থেকে শামুক বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা পুরো হাওর অঞ্চলের প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, শামুক কেবল হাঁসের খাদ্য নয়, এটি জলাভূমির পুরো খাদ্যশৃঙ্খলের (Food Chain) অন্যতম মূল ভিত্তি। দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ, পানকৌড়ি, বকসহ বিভিন্ন জলচর পাখির অন্যতম প্রধান খাবার এই শামুক। তাছাড়া পানির গুণগত মান ভালো রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।অনিয়ন্ত্রিতভাবে শামুক ধ্বংস করা হলে জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণিকুলও খাদ্যসংকটে পড়বে। এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জলজ প্রতিবেশের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে আহরণ করা হলে তা পুরো পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ডিঙ্গাপোতা হাওরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দ্রুতই একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জলবায়ু ও পরিবেশের ক্ষতি না করে কীভাবে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের জীবিকার তাগিদকে গুরুত্ব দিয়ে অবিলম্বে হাওরে শামুক আহরণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সরকারের কঠোর নজরদারি কার্যকর করার জোর দাবি তুলেছেন তারা। ৩১/১০/২০২৬ ইং
নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ সোহেল খান দূর্জয়-নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে পড়েছে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ। বর্ষা মৌসুম জুড়েই নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ডিঙ্গাপোতা হাওরে চলছে অবাধে শামুক শিকার। জীবিকার তাগিদে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ রাত জেগে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জাল ব্যবহার করে হাওরের তলদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ শামুক সংগ্রহ করছেন। সূর্য ওঠার আগেই সেই শামুক হাওরের কূলে এনে স্তূপ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বস্তাবন্দি করে বিক্রি করে দেওয়া হয় বিভিন্ন হাঁসের খামারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শামুক কুড়ানো এখন ওই অঞ্চলের অনেক মানুষের আয়ের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। খামারিরা দানাদার খাবারের খরচ কমাতে তুলনামূলক কম দামে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে হাঁসকে শামুক খাওয়াচ্ছেন। ফলে দিন দিন হাওরের বাজারে এর চাহিদা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের অস্থায়ী বাজারে বসে শামুকের জমজমাট বিকিকিনি। পাইকাররা এখান থেকে পাইকারি দরে শামুক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাঁসের খামারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মণ শামুক তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীরা। তাদের মতে, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শামুক নিধন চলতে থাকলে হাওরের স্বাভাবিক জীববৈচিত্র্য চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির নেত্রকোণা জেলা সভাপতি নাজমুল কবির সরকার এ বিষয়ে জানান, শামুক হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে প্রাকৃতিক ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। এভাবে প্রতিনিয়ত আহরণ অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই এই এলাকা থেকে শামুক বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা পুরো হাওর অঞ্চলের প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, শামুক কেবল হাঁসের খাদ্য নয়, এটি জলাভূমির পুরো খাদ্যশৃঙ্খলের (Food Chain) অন্যতম মূল ভিত্তি। দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ, পানকৌড়ি, বকসহ বিভিন্ন জলচর পাখির অন্যতম প্রধান খাবার এই শামুক। তাছাড়া পানির গুণগত মান ভালো রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।অনিয়ন্ত্রিতভাবে শামুক ধ্বংস করা হলে জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণিকুলও খাদ্যসংকটে পড়বে। এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জলজ প্রতিবেশের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে আহরণ করা হলে তা পুরো পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ডিঙ্গাপোতা হাওরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দ্রুতই একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জলবায়ু ও পরিবেশের ক্ষতি না করে কীভাবে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের জীবিকার তাগিদকে গুরুত্ব দিয়ে অবিলম্বে হাওরে শামুক আহরণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সরকারের কঠোর নজরদারি কার্যকর করার জোর দাবি তুলেছেন তারা। ৩১/১০/২০২৬ ইং
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost