1. admin@doeltv.com : admin :
সংকটের মধ্যে সুখবর, উৎপাদনে ফিরলো দেশের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র - OnlineTV
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

সংকটের মধ্যে সুখবর, উৎপাদনে ফিরলো দেশের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭ বার পঠিত
শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে অবশেষে পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টা ৭ মিনিট থেকে কেন্দ্রটির উৎপাদন শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক। প্রাথমিকভাবে উৎপাদিত ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া শুরু করেছে, যা পর্যায়ক্রমে আরও বাড়বে।

এর আগে, গত বুধবার দিবাগত রাত ১০টা ২ মিনিটে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের ৪টি কোল মিলের (কয়লা চূর্ণ করার যন্ত্র) মধ্যে ২টি ভেঙে যায়। এর ফলে তিনটি ইউনিটের মধ্যে সচল থাকা একমাত্র ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায় এবং কেন্দ্রের সামগ্রিক উৎপাদন পুরোপুরি থমকে দাঁড়ায়। কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে, কয়লার সঙ্গে পাথর মিশ্রিত থাকায় কোল মিলগুলো ভেঙে গিয়েছিল।

ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার পর ওই রাত থেকেই জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ শুরু করে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। টানা প্রচেষ্টার পর এটি সচল করা সম্ভব হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩টি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট করে মোট ২৫০ মেগাওয়াট। আর তৃতীয় ইউনিটটি ২৭৫ মেগাওয়াট।

এর মধ্যে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। আর ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ আছে।

প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছেন, ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি আগামী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ইউনিটটি সচল করার লক্ষ্যে চীনা কোম্পানির সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের আলোচনা চলছে। খুব দ্রুতই দ্বিতীয় ইউনিট চালুর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত আসবে। এটি চালুর জন্য ৪ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৩ মিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এই কেন্দ্রের উৎপাদন সচল থাকলে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে লোডশেডিং এবং ‘লো-ভোল্টেজ’ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়। উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ায় এই অঞ্চলের গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ফেরার আশা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2022