1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_5689754aa58b@wordpress-svc.internal : wpsvc_5689754aa58b :
  3. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
  4. admin@dbnews.live : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

পাঁচবিবিতে খাল খননের অব্যায়িত টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

সাখাওয়াত হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ বরাদ্দকৃত চেয়ে কম টাকায় সম্পন্ন হওয়ার পর অব্যয়িত ১০ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৫ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন পাঁচবিবি উপজেলা প্রশাসন। সরকারি অর্থের অপচয় রোধে দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করার ফলে এ বিপুল পরিমান অর্থ সাশ্রয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে বাগজানা ইউনিয়নের সোনাপুর – খোর্দ্দমশুল – ঝিনাইগাড়ী হয়ে সোনামনু মাস্টারের জমি থেকে জীবনপুর অভিমুখে ১৮০০মিঃ খাল পুনঃখননের জন্য ৩১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা এবং কুসুম্বা ইউনিয়নের ঢাকারপাড়া আকরামের বাড়ি থেকে কুসুম্বা স্লুইচগেট অভিমুখে ৬০০ মিটার খাল পুনঃখননের জন্য ৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খাল দুটি পুনঃখননের কাজ শেষ হওয়ার পর বর্ষাকালে কয়েক দফা খালের পাড় সংস্কার করা হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনা অনুযায়ী বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আওতায় খালের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির কয়েক শ গাছও রোপণ করা হয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোনাপুর-জীবনপুর খাল পুনঃখনন প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮৫ টাকা। ফলে এ প্রকল্পে অব্যয়িত টাকার পরিমান ১০ লাখ ৩৫ হাজার ১১৫ টাকা। অন্যদিকে, ঢাকারপাড়া-সুইচগেট খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫০ টাকা এবং অব্যয়িত টাকার পরিমাণ ৫২ হাজার ১৫০ টাকা। এ অবস্হায় দুটি প্রকল্পের মোট ১০ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৫ অব্যয়িত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন। তিনি বলেন ,”মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ও কুসুম্বা ইউনিয়নে দুটি খাল পুন:খনন সম্পন্ন হয়েছে। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক এ খাল খনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ইতোমধ্যে খাল খননের কার্যক্রম সম্পন্ন করে শ্রমিকের নিজ নিজ একাউন্টে ব্যাংক পেমেন্টের মাধ্যমে মজুরি প্রদানপূর্বক অব্যয়িত অতিরিক্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আন্তরিকতার সাথে খাল- খনন সংক্রান্ত কমিটির সকল সদস্য কাজ করেছেন জন্যই বিষয়টি সম্ভব হয়েছে। মূলত, এই খাল পুন:খনন সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকের সেচ কার্যক্রমকে সহজ করার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost