1. online@dbnews.live : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dbnews.live : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

শিক্ষিকার মাথায় ছাত্রীর মায়ের ৪ কোপ, চারটি আঙুল বিচ্ছিন্ন

জেলা প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জঃ-
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রাইভেট পড়ানোর টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সিঁথি সীমিতা নামে এক স্কুলশিক্ষিকাকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছেন ছাত্রীর মা। ওই শিক্ষকের মাথায় ৪টি কোপের আঘাত লেগেছে। বিচ্ছিন্ন হয়েছে হাতের ৪টি আঙুল। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পানাউল্লাহচর এলাকার এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই নারীর নাম মোছা. প্রিয়া বেগম (২৫)। তিনি পানাউল্লাচারের হোটেল ব্যবসায়ী বায়েজিদ মিয়ার স্ত্রী। পরে এ ঘটনায় স্থানীয়রা ওই নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

শিক্ষিকাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানতে জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, হামলার পেছনে আরও কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, আহত সিঁথি সীমিতা (২৮) শিবপুর ইউনিয়নের ভূইয়া বাড়ির মৃত সুলয়মান মিয়ার মেয়ে ও পানাউল্লাচর এলাকার ইতালি প্রবাসী মো. মুরাদ মিয়ার স্ত্রী। তিনি শিবপুর বিএমএ কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকা। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি গ্রামের বিভিন্ন শিক্ষার্থীকে গৃহশিক্ষক হিসেবে পড়ান। সোমবার সকালে প্রতিদিনের মতো প্রিয়া বেগমের মেয়ে সাফা মনিকে (৪) পড়াতে তার বাসায় যান শিক্ষিকা সিঁথি সীমিতা। এ সময় ওই শিক্ষিকা প্রিয়া বেগমের কাছে প্রাইভেট পড়ানোর বকেয়া থাকা ১ হাজার ৫০০ টাকা চান। প্রাইভেট পড়ানো শেষে বাড়ির উদ্দেশে বের হওয়ার পর আবার ফেলে আসা ছাতা আনতে প্রিয়ার বাসায় যান। তখন ক্ষুব্ধ হয়ে ওই নারী দা দিয়ে শিক্ষিকাকে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করেন। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ইসরাত জাহান স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত প্রিয়া বেগমকে আটক করে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

আহত শিক্ষিকার দেবর সারোয়ার বলেন, ‘আমার ভাবী একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। পাশাপাশি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ান। প্রতিদিনের মতো আজও তিনি প্রিয়া বেগমের মেয়েকে পড়াতে গিয়েছিলেন। পড়ানো শেষে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ প্রিয়া বেগম দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে ভৈরব থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল কবির বলেন, ৯৯৯ এ খবর পেয়ে এসআই আসিবুল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত এক নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost