জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় এমপি প্রার্থী সহ নিজেও বিপুল আসনে জয়লাভ করার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়। জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই শত কাজের মধ্যে ব্যাস্ত থাকার পরেও সকাল ৯’টার আগেই অফিসে উপস্থিত হন। কখনো আবার দেখা যায় পায়ে হেঁটেই অফিসে যাওয়া-আসা করছেন দেশ প্রেমিক এ প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া প্রায় ঢাকার ব্যস্ততম রাস্তায় দেখা যায় সরকারি প্রোটোকল না নিয়ে ট্রাফিক আইন মেনে সিগন্যালে তাঁর গাড়ি সাধারণ যাত্রীবাহী গাড়ির ন্যায় দাঁড়িয়ে থাকে। দেশের প্রধানমন্ত্রীর এমন দৃশ্য স্বচোখে দেখে পথচলা ও সাধারণ মানুষ বিস্মিত হয়।
পক্ষান্তরে জয়পুরহাট জেলার বিএনপির সকল শ্রেণীপেশার নেতাকর্মীদের বাতিঘর হিসাবে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ পেয়ে দলীয় কার্যক্রম, পারিবারিক, সামাজিক সহ ব্যক্তিগত শত ব্যস্ততার মাঝেও সঠিক সময়ে তাঁকে জেলা পরিষদের অফিস করতে দেখা যায়। ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি শেষে মঙ্গলবার প্রথম কর্মদিবসে তিনি সকাল ৯’টার আগেই অফিসে উপস্থিত হন। এসময় তিনি অফিসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
জয়পুরহাট জেলার বিএনপির প্রাণকেন্দ্র রানা প্রধান বলেন, আমার প্রিয় অভিভাবক জনাব তারেক রহমান আমাকে জয়পুরহাট-আসনে ধানের শীষ দিয়েছিল কিন্তু কিছু গাদ্দার, বেইমান ও মুনাফিক বিএনপির মুখোশধারী নেতার কারণে শুধু আমাকে নয় দলের চেয়ারম্যান তারেক জিয়াকেও গত ১২’ই ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে হারায়েছেন। যাদের কারনে জয়পুরহাট-১ আসনে ধানের শীষের পরাজয় হয়েছে তাদের বিচার জনাব তারেক রহমানের কাঠগড়ায় দিয়েছি। এবং এইসব নীতি ভোষ্টা নেতাদের রাজনীতির শেষ পরিণতি দেখার অপেক্ষায় রইলাম। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ ছাড় দেয় কিন্তু ছেড়ে দেয় না। সন্মান দেওয়ার মালিক আল্লাহ এতকিছু করার পরোকি তারা কিছু পেল। জেলা বিএনপির এ কর্নধার দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের সকল অধিকার ও মর্যাদার লড়াইয়ে পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।
তিনি নেতাকর্মীরা সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আপনারা হতাশ হবেন না কারন নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।