1. admin@doeltv.com : admin :
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আ.লীগের মন্ত্রীদের মতো উত্তর দিয়েছেন-সংসদে সরকারদলীয় এমপির মন্তব্য - OnlineTV
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আ.লীগের মন্ত্রীদের মতো উত্তর দিয়েছেন-সংসদে সরকারদলীয় এমপির মন্তব্য

জাতীয় সংসদ ডেস্কঃ-
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৬ বার পঠিত
শেয়ার করুন

সংসদের বৈঠকে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের জবাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘হতাশ হলাম। আওয়ামী লীগের সময় যে উত্তর দিত মন্ত্রীসাব। তিনি সেই উত্তর দিয়েছেন।’

৫ এপ্রিল রবিবার সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের গৃহীত নোটিশের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

মনিরুল হক চৌধুরীর বলেন, তিনি প্রশ্ন করেছেন, সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। সেখানে আন্ডারপাস কোথায় গেল? ওভারপাসটি কেন হলো না? অনুমোদিত ওভারপাসটি কেন হলো না? ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিল, ২০১৪ সালের কুত্তা মার্কা নির্বাচনের সময়। এরপরে এত লোক মারা গেল কিন্তু একজনও ক্ষতিপূরণ পায়নি।

এমপি বলেন,ওভারপাস, এক্সপ্রেসওয়ে হবে, এমন রবীন্দ্র সংগীত বহু শুনেছি। আমাদের শান্তিতে মরতে দেন। ওনার প্রতিটি কথা সচিবেরা যা বলে দিয়েছেন.. যারা টাকা লুণ্ঠন করেছে; তারা শিখিয়ে দিয়েছে, সেটা তিনি বলেছেন। আমি এর প্রতিবাদ করছি।

জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, এই প্রকল্পটি আগ থেকে চলমান আছে। এই সরকার শুধু নকশা পরিবর্তন করে, বাজেট সমন্বয় করে কাজ করতে পেরেছে। এখন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেন প্রকল্পে ওই অঞ্চলে যানবাহন চলাচল ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, মোড়গুলোতে যাতে প্রচুর যানবাহনকে ম্যানেজ করতে হয়, সেটাকে পরিকল্পনা করে আগামী দিনের প্রকল্পে রয়েছে। পূর্ববর্তী সময়ের প্রকল্পে যতটুকু সংশোধন করা দরকার, ততটুকু করতে পেরেছেন -এর বেশি করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকার নতুন এসেছে, সংসদ সদস্য তাকে জানানোর পর সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের সেখানে পাঠানো হয়েছে। সেখানে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান কিছু দেখা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এসময় সংসদের বৈঠকে সভাপতির চেয়ারে থাকা স্পিকার মন্ত্রীর কাছে জানতে চান- এসব পদক্ষেপে কী মনিরুল হক চৌধুরীর সমস্যা সমাধান হবে? মন্ত্রী জবাবে বলেন, ‘আংশিক হবে।’

এর আগে, নোটিশের প্রস্তাবে বলা হয়, ‘সড়ক বিভাগ সৃষ্ট কুমিল্লা পদুয়ার বাজারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-নোয়াখালী সংযোগস্থলে অবৈধ দানবীয় ব্যারিকেড স্থাপন, কুমিল্লা প্রবেশপথে টমছম ব্রিজসহ ৭টি স্থানে আন্ডারপাস ও সার্ভিসলেন নির্মিত না হওয়ায় এই স্থানটি মরণফাঁদ ও তার প্রতিকার চেয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।’

৪৮১ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বাতিল

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকাভুক্ত হওয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আজম খান। তিনি জানান, এরই মধ্যে আগস্ট ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৫ বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত ছিলেন এবং অনেক অসাধু ব্যক্তি ভুয়া তথ্য দিয়ে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। বিশেষ করে, সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলতে আসলে কিছু নেই। তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় ঢুকে পড়েছে। এদের চিহ্নিত করার কাজ একটি চলমান প্রক্রিয়া। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া মাত্রই তাদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হবে। প্রবাসে অবস্থানরত যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দ্রুততম সময়ে তা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

কাগজে-কলমে কুমিল্লা দক্ষিণ মিনি স্টেডিয়াম নামে থাকলেও বাস্তবে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন, কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাতিল নোটিশের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি স্টেডিয়ামটি উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

২০০৪ সালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা সৃষ্টি পরে স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে কুমিল্লা-৬ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সেটি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নামে নামকরণ করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন চেষ্টা করেছিলাম। পরে শুনেছি, স্টেডিয়াম উধাও হয়ে গেছে, টাকা লুটপাট হয়ে গেছে। সরকার বলে, স্টেডিয়াম ওখানে আছে। কিন্তু কুমিল্লা জেলায় এ নামে সাধ্যমতো খুঁজে কোনো স্টেডিয়াম পাইনি।

উত্থাপিত বিষয়—‘কুমিল্লা দক্ষিণ স্টেডিয়ামের জমি রেকর্ডে ইচ্ছামাফিক গাফিলতি, ক্রীড়াসামগ্রী আত্মসাৎ, বরাদ্দকৃত অর্থ লুট।’

কুমিল্লা দক্ষিণ উপজেলার নামে কেনাকৃত জমি ও বরাদ্দকৃত সম্পত্তির ফাইলটি উধাও হয়ে গেছে। বিষয়টি আমার ইজ্জতের ব্যাপার। দীর্ঘদিন ক্রীড়াঙ্গনে কাটিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীও আছেন। এ স্টেডিয়াম কোথায়? তা উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়..। এ সময় মাইক বন্ধ হয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2022