দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ডাবল মার্ডার সহ ডাকাতি মামলার পলাতক আসামী ‘শুভ’ প্রায় দেড় বছর পর গ্রেপ্তার করে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ।জানা যায়, গত ০৪/১১/২০২১ খ্রি: দুর্বৃত্তরা নবাবগঞ্জ থানা ধরঞ্জি এলাকায় হাফিজুর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী ফেন্সি আরা বেগম নামক দুজনকে নিজ বাড়িতে খুন সহ ডাকাতি করে ।
নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অতি দ্রুততার সহিত অত্র ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়। পুলিশ তদন্তে জানা যায়,ডিসিস্ট হাফিজুর রহমানের প্রথম স্ত্রীর বড় ছেলে মোঃ আব্দুল মতিন মিঠু (৫০) পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় তার পিতা হাফিজুর রহমান এর বাড়িতে নগদ ৪,০০,০০০ টাকা,৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ২ টি জমির দলিল ডাকাতি করে এবং তার পিতা হাফিজুর রহমান ও সৎ মা ফেন্সিয়ারা বেগমকে হত্যা করে। অত্র চাঞ্চল্যকর ডাকাতি সহ হত্যা মামলার ঘটনার সহিত সরাসরি অংশগ্রহণকারী ৮(আট) জন আসামিকে সনাক্ত করেন নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। সনাক্তকৃত ৮ জন আসামীর মধ্যে ৫(পাঁচ)জনকে পূর্বেই গ্রেফতারপূর্বক বিজ্ঞ কোর্টে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪ (চার)জন ঘটনার সহিত জড়িত থাকার নিজ দায় স্বীকার করে বিজ্ঞ কোর্টে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মূলক জবনবন্দী প্রদান করেন।অত্র খুনসহ ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী নবাবগঞ্জ থানা ধরঞ্জি গ্রামস্থ মোঃ আনিছ আলী @ নওসা ডাকাত এর ছেলে মোঃ শুভ মিয়া(২৮), দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিল । নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অদ্য ১৫/০৪/২০২৩ খ্রি: রাত্রি অনুমান ২.০০ ঘটিকায় শুভকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন। এদিকে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামি সোহেল রানা (৩০), পিতা-মো: আনোয়ার হোসেন, সাং- কৃষ্ণ জীবনপুর, থানা- নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ